সড়ক, নৌপথ ও স্থানীয় যানবাহনে সংযুক্ত সুন্দরগঞ্জ
গাইবান্ধা জেলা সদর থেকে সুন্দরগঞ্জ পর্যন্ত পাকা সড়ক রয়েছে। বাস ও মাইক্রোবাসে যাতায়াত করা যায়।
তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদীতে নৌকা ও ট্রলারে চরাঞ্চলে যাওয়া যায়। বর্ষায় এটিই প্রধান যোগাযোগ।
সিএনজি, রিকশা, ভ্যান ও মোটরসাইকেল স্থানীয় যোগাযোগের প্রধান বাহন।
গাইবান্ধা-সুন্দরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক। পাকা ও মোটামুটি ভালো অবস্থায় আছে।
উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে পাকা ও কাঁচা রাস্তার নেটওয়ার্ক আছে।
চরে মূলত কাঁচা রাস্তা। বর্ষায় নৌকাই ভরসা। শুষ্ক মৌসুমে মোটরসাইকেল চলে।
গাইবান্ধা-সুন্দরগঞ্জ রুটে নিয়মিত বাস চলে। ঢাকাগামী রাতের বাসও পাওয়া যায়।
তিস্তার পশ্চিম তীর থেকে পূর্ব তীর পর্যন্ত নৌকায় যাতায়াত হয়। বর্ষায় চরাঞ্চলে যাওয়ার একমাত্র পথ এটি।
ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে দ্রুত যাতায়াত করা যায়। পণ্য পরিবহনেও ট্রলার ব্যবহৃত হয়।
বন্যার সময় সড়কপথ ডুবে গেলে সম্পূর্ণ নৌকানির্ভর হয়ে পড়ে চরাঞ্চল।
কাঠের নৌকা এখনও প্রচলিত। জেলেরা মাছ ধরতে ও পার হতে ব্যবহার করেন।
সবচেয়ে জনপ্রিয় যানবাহন
কাছের দূরত্বে
দ্রুত যাতায়াতে
দলীয় ভ্রমণে