তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পলিমাটিতে গড়া সুন্দরগঞ্জের সমৃদ্ধ জীবিকা
উপজেলার প্রধান ফসল। উঁচু জমিতে আমন এবং সেচের মাধ্যমে বোরো চাষ হয়।
তিস্তার চরাঞ্চলে ব্যাপকভাবে চাষ হয়। বর্তমানে এটি অন্যতম প্রধান অর্থকরী ফসল।
চরের বেলে মাটিতে প্রচুর বাদাম উৎপাদিত হয় যা কৃষকদের বড় আয়ের উৎস।
চরাঞ্চলের বালু মাটিতে ভালো ফলন হয়। স্থানীয় ও বাইরের বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা।
ঐতিহ্যবাহী অর্থকরী ফসল। নিচু জমি ও চরাঞ্চলে উন্নত মানের পাট চাষ হয়।
শীতকালে বিস্তীর্ণ মাঠ হলুদ সরিষা ফুলে ভরে ওঠে। ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটায়।
চরের বালুচরে 'স্যান্ডবার ক্রপিং' পদ্ধতিতে ব্যাপক মিষ্টি কুমড়া চাষ হয়।
মশলা জাতীয় ফসলের মধ্যে চরাঞ্চলে পেঁয়াজ, রসুন ও মরিচের ব্যাপক ফলন হয়।
মোট জনগোষ্ঠীর প্রায় ৮০% কৃষিনির্ভর। তিস্তার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে ভুট্টা, বাদাম ও কুমড়া চাষ অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে।
চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ চারণভূমিতে গরু, ছাগল ও ভেড়া পালন অত্যন্ত জনপ্রিয়। কোরবানির হাটে এখানকার পশুর ব্যাপক কদর রয়েছে।
তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরা অনেক জেলের প্রধান পেশা। এছাড়া পুকুর ও জলাশয়ে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ যেমন— ধানের চাতাল, আটার মিল, করাতকল এবং স্থানীয় বাজারকেন্দ্রিক ব্যবসা অর্থনীতিকে সচল রেখেছে।
উপজেলার অনেক মানুষ মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে।
বাঁশ ও বেতের কাজ এবং চরাঞ্চলে মৃৎশিল্পের (মাটির তৈরি পণ্য) মাধ্যমে অনেক পরিবার জীবিকা নির্বাহ করে।